Winners for the 2019 Secretary of State’s Award for Corporate Excellence


The U.S. Department of State’s Bureau of Economic and Business Affairs is pleased to announce the four winners for the 2019 Secretary of State’s Award for Corporate Excellence (ACE).  The winners will be presented with the award in a ceremony on October 31, 2019, at 3:00 p.m. EDT at the State Department.

This year commemorates the Award for Corporate Excellence’s 20th year.  Established in 1999, the ACE recognizes U.S. companies that promote and uphold high standards as responsible members of their communities where they do business.  Together, these companies exemplify some of the most promising and innovative business ideas of the 21st century:  that profitability and sustainability are not mutually exclusive, and that sustainability can drive prosperity in the modern economy.  The 2019 ACE categories are Sustainable Operations and Women’s Economic Empowerment.

The 2019 Award Recipients:

ACE Winner in Women’s Economic Empowerment (Small-to-Medium Enterprise):

Chambers Federation in the Democratic Republic of the Congo

Investing in the Democratic Republic of the Congo (DRC), The Chambers Federation is a social impact investment firm building inclusive, sustainable businesses in high-risk areas.  They focus on creating stability and economic empowerment in the lives of women in areas of conflict.  They built the first chocolate processing facility in the DRC, which now produces the country’s first premium chocolate in-country. This chocolate is grown, harvested and manufactured entirely by women.  The Chambers Federation established the first supply chain of conflict-free, mercury-free, fully traced, responsible artisanal gold from a conflict zone, which is exported to the U.S. and European markets.  Their newest initiative has developed an eco-friendly manufacturing process and trains women recovering from gender-based violence to produce gold jewelry components.

ACE Winner in Women’s Economic Empowerment (Multinational Enterprise):

Procter & Gamble Asia Pacific in Singapore

Consumer goods company P&G Asia Pacific is a leading voice in the gender equality movement within 16 countries across the Asia-Pacific region.  With executive mentorship, flexible parental leave, and childcare programs, P&G’s policies and programs construct a workplace that supports and empowers women leaders.  P&G Asia Pacific’s #WeSeeEqual Gender Equality Program improved female representation at all levels, with women now holding half of the company’s manager positions in the Asia Pacific region.  Thirty-five percent of directors and higher-level executives are women, compared to an average of ten percent in Singapore for women in leadership positions.

ACE Winner in Sustainable Operations (Small-to-Medium Enterprise):

Agilis Partners in Uganda

Agilis Partners is the largest grain and oil seed producer and one of the leading wholesalers of agricultural commodities in Uganda.  It invests in local communities, sets high product standards, uses sustainable farming methods, pays competitive wages, and incorporates cutting-edge technology.  Hundreds of food manufacturers depend on Agilis’ safe and affordable supply to nourish over 500,000 consumers in East Africa annually.  Agilis employs 650 people, and women represent a major contingent of the operational and management team in a traditionally male-dominated industry.  

ACE Winner in Sustainable Operations (Multinational Enterprise):

PepsiCo India in India

PepsiCo India is invested in collaborating with 24,000 farmers to source sustainably in India.

The company saved more than 17 billion liters of water in 2017 through its community water programs focused on water replenishment and water conservation agricultural practices, such as direct seeding of rice and micro irrigation.  Under its Sustainable Water Resource Development and Management program focused on water replenishment, PepsiCo India has replenished over five billion liters of water, positively impacting 60,000 community members.

The U.S. Department of State is committed to working with companies to further responsible business practices worldwide and to recognize their efforts to improve lives at home and abroad.  For more information, please visit:

The invitation-only 2019 ACE ceremony will be open to credentialed members of the media on a space-available basis.  A separate notice to the press with access details will be issued soon.  For media inquiries, please contact the Economic and Business Affairs Bureau public diplomacy office at


করপোরেট খাতে কৃতিত্বের জন্য ২০১৯ সালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পুরস্কার বিজয়ীরা


করপোরেট খাতে কৃতিত্বের জন্য ২০১৯ সালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পুরস্কার ঘোষণা করতে পেরে আনন্দিত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড ব্যুরো। আগামী ৩১ অক্টোবর, ২০১৯, বিকেল ৩টায় (ইডিটি) পররাষ্ট্র দপ্তরে এক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

এ বছর করপোরেট কৃতিত্ব পুরস্কারের ২০তম বছর। ১৯৯৯ সাল থেকে চালু এই এসিই পুরস্কার যুক্তরাষ্ট্রের সেইসব কোম্পানিকে স্বীকৃতি দিয়ে থাকে, ব্যবসা করার ক্ষেত্রে যারা নিজ সম্প্রদায়ের দায়িত্বশীল সদস্য হিসেবে উচ্চ মান উৎসাহিত করেছে ও সমুন্নত রেখেছে। সম্মিলিতভাবে এইসব কোম্পানি ২১ শতকের সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল ও উদ্ভাবনী বাণিজ্য আইডিয়ার দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে: যে, মুনাফা করা এবং টেকসই হওয়া দুটোই একসঙ্গে চলতে পারে; যে, টেকসই হতে পারা আধুনিক অর্থনীতিতে একই সঙ্গে সমৃদ্ধিও ঘটাতে পারে। ২০১৯ সালের পুরস্কারের শ্রেণীগুলো হলো টেকসই কর্মকাণ্ড এবং নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন।

২০১৯ সালের পুরস্কারপ্রাপ্তরা:

নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে (ক্ষুদ্র থেকে মাঝারি উদ্যোগ) এসিই বিজয়ী:

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের চেম্বারস ফেডারেশন

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআরসি) বিনিয়োগে চেম্বারস ফেডারেশন এমন একটি সামাজিক প্রভাব বিনিয়োগ কোম্পানি যা উচ্চ-ঝুঁকির খাতগুলোতে অন্তর্ভূক্তিমূলক, টেকসই ব্যবসা তৈরি করছে। তারা সংঘাতপ্রবণ এলাকায় নারীর জীবনে স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন তৈরিতে মনোনিবেশ করেছে। গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে তারা প্রথম চকলেট প্রক্রিয়াকরণ স্থাপনা তৈরি করেছে, যা দেশের প্রথম উচ্চমানের অভ্যন্তরীণ চকলেট তৈরি করছে। এই চকলেট চাষ, ফসল তোলা এবং উৎপাদন পুরোপুরি নারীরা করছে। চেম্বারস ফেডারেশন সংঘাতমুক্ত, পারদমুক্ত, পুরোপুরি অনুসরণকৃত, দায়িত্বশীল, কারিগর-উপযোগী স্বর্ণের প্রথম সরবরাহ শেকল তৈরি করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে রপ্তানি হচ্ছে। তাদের নতুনতম উদ্যোগ একটি পরিবেশবান্ধব উৎপাদন প্রক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে এবং লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার কবল থেকে সেরে ওঠা নারীদের স্বর্ণালঙ্কারের উপকরণ তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে (বহুজাতিক উদ্যোগ) এসিই বিজয়ী:

সিঙ্গাপুরে প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল এশিয়া প্যাসিফিক

এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৬টি দেশে লৈঙ্গিক সমতা আন্দোলনে প্রথম সারির কণ্ঠস্বর ভোক্তা পণ্য প্রস্তুতকারী কোম্পানি প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল এশিয়া প্যাসিফিক। নির্বাহীদের মেন্টরশিপ, সন্তান জন্মের শিথিল ছুটির নিয়ম এবং শিশুর যত্নের কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পিঅ্যান্ডজি-এর নীতি ও কর্মসূচি এমন এক কর্মস্থল তৈরি করেছে, যা নারী নেতৃত্বকে সহায়তা করে ও ক্ষমতায়ন ঘটায়। পিঅ্যান্ডজি এশিয়া প্যাসিফিকের #উইসিইকুয়াল নামক লৈঙ্গিক সমতা কর্মসূচি সকল স্তরে নারী প্রতিনিধিত্বের উন্নতি ঘটিয়েছে, এর ফলে এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এখন কোম্পানির অর্ধেক সংখ্যক ব্যবস্থাপনা পদগুলোয় নারীরা দায়িত্ব পালন করছেন। ৩৫ শতাংশ পরিচালক ও উচ্চ পর্যায়ের নির্বাহী হচ্ছেন নারী, তুলনায় সিঙ্গাপুরে নেতৃত্বের পদগুলোয় নারীর গড় সংখ্যা ১০ শতাংশ।

টেকসই কর্মকাণ্ডে (ক্ষুদ্র থেকে মাঝারি উদ্যোগ) এসিই বিজয়ী:

উগান্ডায় আজিলিস পার্টনারস       

 অ্যাজিলিস পার্টনারস হলো উগান্ডায় সবচেয়ে বড় শস্য ও তৈলবীজ উৎপাদক এবং কৃষি পণ্যের অন্যতম নেতৃস্থানীয় পাইকার। এটি স্থানীয় সম্প্রদায়ে বিনিয়োগ করে, পণ্যের উচ্চ মান বজায় রাখে, টেকসই চাষাবাদ পদ্ধতি ব্যবহার করে, প্রতিযোগিতামূলক মজুরি দেয়, এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তি অবলম্বন করে। পূর্ব আফ্রিকায় বছরে ৫ লাখ ভোক্তার খাদ্য চাহিদা পূরনে হাজার হাজার খাদ্য উৎপাদনকারী অ্যাজিলিসের নিরাপদ ও স্বল্পমূল্যের সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল। অ্যাজিলিসে ৬৫০ জন নিযুক্ত আছেন এবং এই খাত ঐতিহ্যগতভাবে পুরুষ-নিয়ন্ত্রিত হলেও এই কোম্পানিতে কর্মী ও ব্যবস্থাপনা টিমে নারীর প্রতিনিধিত্বই প্রধান।

টেকসই কর্মকাণ্ডে (বহুজাতিক উদ্যোগ) এসিই বিজয়ী:

ভারতের পেপসিকো ইন্ডিয়া

ভারতে টেকসই উৎস তৈরিতে পেপসিকো ইন্ডিয়া ২৪ হাজার কৃষকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বিনিয়োগ করেছে।

কোম্পানিটি তাদের সম্প্রদায়গত পানি কর্মসূচির মাধ্যমে ২০১৭ সালে ১৭ বিলিয়ন লিটার পানি সাশ্রয় করেছে। এই কর্মসূচি গুরুত্ব দেয় পানির পুনর্ব্যবহার ও পানি সংরক্ষণমূলক চাষাবাদের চর্চাকে, যেমন ধানের সরাসরি বীজ তৈরি এবং ক্ষুদ্র পর্যায়ের সেচ। পানির পুনর্ব্যবহারকে গুরুত্ব দিয়ে কোম্পানির টেকসই পানি সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির অধীনে পেপসিকো ইন্ডিয়া পাঁচ বিলিয়ন লিটার পানি পুনরায় উৎসে ফিরিয়ে নিতে পেরেছে। এতে স্থানীয় সম্প্রদায়ের ৬০ হাজার সদস্য ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে আরো যেসব দায়িত্বশীল ব্যবসা চর্চা চালু আছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর সেগুলোর সঙ্গে কাজ করতে এবং দেশে এবং বিদেশে মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়নে তাদের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি অঙ্গীকারাবদ্ধ। বিস্তারিত তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে ভিজিট করুন: