WE CAN END TB By: Earl R. Miller, U.S. Ambassador to Bangladesh

Embassy of the United States of America
Public Affairs Section
Tel: 880-2-55662000
Fax: 880-2-9881677, 9885688
E-mail: DhakaMediaRequests@state.gov
Website: bd.usembassy.gov

 

 

WE CAN END TB
By: Earl R. Miller, U.S. Ambassador to Bangladesh

 

Nine year old Sabbir was ill.  For several weeks he complained of chest pain and had a bad cough, sometimes coughing blood.  His parents took him to a pharmacy where he was misdiagnosed and given ineffective medication.  When his symptoms did not go away, Sabbir went to a doctor who fortunately recognized the symptoms of tuberculosis or TB.  The doctor referred Sabbir to a nearby hospital but after three months of treatment his health deteriorated, his weight fell to 42 pounds, and he still tested positive for TB.  Sabbir was referred to the National Institute of Diseases of the Chest and Hospital (NIDCH) in Dhaka, supported by the United States Agency for International Development (USAID’s) Challenge TB program, who discovered Sabbir had drug-resistant TB.  NIDCH staff began a specialized medical treatment regimen and after 19 months of hospital, home treatment and drug therapy Sabbir gained weight, finally tested negative for TB, and is now a healthy young man back at school.

Tuberculosis is the world’s most lethal infectious killer.  It is an ancient malady caused by a bacillus spread when people expel bacteria into the air, usually by coughing.  When people with TB cough, sneeze or spit, they propel TB germs into the air.  A person needs to inhale only a few of these germs to become infected.  Those with active TB in the lungs may experience a persistent cough, fatigue, fever, weight loss and night sweats.

If not treated, TB can lead to death.  TB claims more lives than HIV/AIDS and malaria combined.  But it is a preventable, treatable and curable disease.

Training pediatricians to better identify and treat TB is an important part of U.S. / Bangladesh programs to prevent and cure TB.  The community-based multi drug-resistant TB (MDR-TB) treatment is one of the many innovations the U.S. Government, through USAID, supports in partnership with the Government of Bangladesh.  As a result of this partnership, Bangladesh accelerated TB case detection and treatment.  Bangladesh also piloted the shorter MDR-TB regimen now recommended by the World Health Organization (WHO) and commonly known as the “Bangladesh Regimen.”  In 2018, the Bangladeshi government procured first-line TB drugs with its own funding, demonstrating its strong commitment to the fight against the disease.

Despite these promising efforts, Bangladesh accounts for 2.3% of the total undetected TB cases worldwide and almost 70% of MDR-TB cases in Bangladesh go undetected.

On September 26, 2018, international leaders met at the United Nations to discuss, for the very first time, the global response to end this epidemic.  These leaders made a commitment to end TB by 2030.  Worldwide, the U.S. government has been actively involved in the fight against TB through its investments in the Global Fund, WHO, Centers for Disease Control and Prevention, and USAID.  Recently, USAID Administrator Mark Green announced a new TB business model, the “Global Accelerator to End Tuberculosis,” that will catalyze investments across multiple countries and sectors, public and private, to end the epidemic.

March 24 is World Tuberculosis Day, an annual event to recognize the day in 1882 when Dr. Robert Koch discovered the organism that causes TB.  It is a day to recognize achievements in TB prevention and control.  And with renewed and focused global commitment, we can defeat TB. Together we can ensure a brighter healthier future for the children of Bangladesh, like Sabbir, and all children everywhere.

===================

 

যক্ষ্মা নির্মূল করতে পারবো আমরা
বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার

 

 

নয় বছর বয়সী সাব্বির অসুস্থ ছিল। কয়েক সপ্তাহ ধরে ওর বুক ব্যথা হচ্ছিল। সঙ্গে ছিল খুব কাশি। একেক সময় কাশির সঙ্গে রক্তও পড়ছিল। সাব্বিরের বাবা-মা ওকে একটি ফার্মেসিতে নিয়ে যান। সেখানকার লোকজন ওর অসুখ সঠিকভাবে ধরতে না পেরে ভুল ওষুধ দেয়। স্বাভাবিকভাবেই তাতে কোনো কাজ হয়নি। কিছুতেই বুক ব্যথা ও কাশি না সারায় সাব্বিরকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সৌভাগ্যক্রমে তিনি ধরতে পারেন ওর যক্ষ্মা (টিবি) হয়েছে। চিকিৎসক সাব্বিরকে কাছের একটি হাসপাতালে পাঠান। কিন্তু সেখানে তিন মাস চিকিৎসার পর ওর স্বাস্থ্য আরও খারাপ হয়ে পড়ে। শরীরের ওজন কমে ৪২ পাউন্ডে নেমে আসে। পরীক্ষা করে দেখা যায়, তখনও ওর টিবি সারেনি। সাব্বিরকে তখন জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে (এনআইডিসিএইচ) পাঠানো হলো। যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহায়তা সংস্থা ইউএসএআইডি’র ‘চ্যালেঞ্জ টিবি’ কর্মসূচির আওতায় এনআইডিসিএইচকে সহায়তা দেওয়া হয়।  সেখানে পরীক্ষা করে দেখা যায়, সাব্বিরের ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা হয়েছে। এনআইডিসিএইচ এর কর্মীরা বিভিন্ন ওষুধের সমন্বয়ে ওর জন্য বিশেষ চিকিৎসা শুরু করেন। ১৯ মাস হাসপাতাল ও বাসার নিবিড় চিকিৎসা আর বিশেষ ওষুধ প্রয়োগের সুবাদে সাব্বিরের ওজন আবার বাড়ল। শেষ পর্যন্ত দেখা গেল, ওর টিবিও সেরে গেছে। সুস্থ হয়ে ছেলেটি আবার স্কুলে যোগ দিল।

টিউবারকিউলোসিস (যক্ষ্মা) বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংক্রামক হত্যাকারী ব্যাধি। এটি একটি প্রাচীন রোগ যা একধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে হয়। মানুষ সাধারণত কাশির মাধ্যমে এটি ছড়িয়ে দেয়। আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি,হাঁচি বা থুতু ছিটানোর মাধ্যমে বাতাসে টিবির জীবাণু ছড়ায়। একজন লোকের সংক্রমিত হওয়ার জন্য এই জীবাণুগুলোর মাত্র কয়েকটি নিঃশ্বাসের সঙ্গে নিলেই যথেষ্ট। যাদের ফুসফুসে টিবির জীবাণু সক্রিয় রয়েছে তারা টানা কাশি, ক্লান্তি, জ্বর,ওজন কমা এবং রাতে ঘাম হওয়া ইত্যাদি সমস্যায় ভুগতে পারে। চিকিৎসা করা না হলে টিবির কারণে মৃত্যুও হতে পারে। বিশ্বে এইচআইভি/এইডস ও ম্যালেরিয়া মিলে যত মানুষ মারা যায় টিবিতে তার চেয়ে বেশি লোকের মৃত্যু হয়। অথচ এটি একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ যা চিকিৎসার মাধ্যমে সারানো যায়।nটিবি প্রতিরোধ ও নিরাময়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের যৌথ কর্মসূচিগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে শিশু চিকিৎসকদের আরও ভালোভাবে এ রোগ চিহ্নিত ও এর চিকিৎসা করার প্রশিক্ষণ দেওয়া। ইউএসএআইডির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে নানা ধরনের উদ্ভাবনী চিকিৎসা কর্মসূচি চালায়। কমিউনিটিভিত্তিক ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা (এমডিআর-টিবি) চিকিৎসা হচ্ছে তার একটি। এ অংশীদারত্বের সুবাদেই বাংলাদেশে যক্ষ্মা রোগী চিহ্নিত করা ও এর চিকিৎসায় গতি বেড়েছে। বাংলাদেশ যক্ষ্মা চিকিৎসায় স্বল্পমেয়াদের এমডিআর-টিবি চিকিৎসা পদ্ধতিও পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এখন এটি সুপারিশ করে থাকে। চিকিৎসা ব্যবস্থাটি সবার কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছে ‘বাংলাদেশ রেজিমেন’ নামে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব তহবিল দিয়ে যক্ষ্মার ‘ফার্স্ট লাইন’ (প্রাথমিক পর্যায়ের) ওষুধ কিনেছে। এটি রোগটির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলাদেশের জোরালো অঙ্গীকারেরই পরিচায়ক। তবে এ ধরনের আশাব্যঞ্জক প্রচেষ্টার পরও বিশ্ব জুড়ে চিহ্নিত না হওয়া টিবির ২.৩ শতাংশই বাংলাদেশে ঘটে। আবার এ দেশে এমডিআর-টিবির প্রায় ৭০ শতাংশই ধরা পড়ে না।

২০১৮ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ব নেতারা যক্ষ্মা মহামারীর অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে জাতিসংঘে এক বৈঠকে বসেন। ঘাতক ব্যাধিটি মোকাবেলা করার আন্তর্জাতিক কৌশল নির্ধারণ করতে এটাই ছিল বিশ্ব নেতাদের প্রথম বৈঠক। তারা ২০৩০ সাল নাগাদ টিবি নির্মূল করতে অঙ্গীকার করেন।

যুক্তরাষ্ট্র সরকার গ্লোবাল ফান্ড, ডব্লিউএইচও, সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন ও ইউএসএআইডি’র মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী টিবির বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে লড়াই করছে।

ইউএসএআইডি’র প্রশাসক মার্ক গ্রিন সম্প্রতি যক্ষ্মা মোকাবেলা কর্মসূচির নতুন একটি মডেল ঘোষণা করেছেন। ‘গ্লোবাল অ্যাকসিলারেটর টু এন্ড টিউবারকিউলোসিস’ নামের মডেলটি এ ব্যাধি নির্মূল করতে বিভিন্ন দেশ এবং সরকারি ও বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকে গতিশীল করবে।

২৪ মার্চ বিশ্ব  যক্ষ্মা দিবস। ১৮৮২ সালে ড. রবার্ট কচ-এর যক্ষ্মার জীবাণু আবিস্কার করার দিনটি স্মরণ করতে পালিত হয় এ দিবস। টিবি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টায় এ পর্যন্ত অর্জনগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়ার দিন এটি। নতুন ও সংকল্পবদ্ধ বৈশ্বিক অঙ্গীকারের মাধ্যমে আমরা টিবিকে পরাস্ত করতে পারবো। সবাই মিলে সাব্বিরের মতো বাংলাদেশের শিশুদের তথা বিশ্বের সবপ্রান্তের শিশুদের জন্য নিশ্চিত করতে পারবো আরও উজ্জ্বল আর স্বাস্থ্যকর এক ভবিষ্যত।

 

===================