USAID Deputy Administrator Bonnie Glick and Acting Assistant Secretary of State Alice G. Wells Visit Bangladesh

USAID Deputy Administrator Bonnie Glick and Acting Assistant Secretary of State Alice G. Wells Visit Bangladesh

They met with government officials, international and implementing partners, and key Bangladeshi communities to further relations between the United States and Bangladesh and address key areas of cooperation.


DHAKA, November 7, 2019 – United States Agency for International Development (USAID) Deputy Administrator Bonnie Glick and Acting Assistant Secretary of State Alice G. Wells traveled to Bangladesh from November 5-7 to promote expanded U.S.-Bangladesh bilateral relations, increase commercial and security ties, and address the ongoing Rohingya humanitarian crisis.

While in Dhaka, Deputy Administrator Glick met with Executive Chairman of the Bangladesh Investment and Development Authority Sirazul Islam to reinforce USAID’s commitment to supporting the Government of Bangladesh’s efforts to improve the business-enabling environment.  At an event at the American Chamber of Commerce, she highlighted USAID’s partnership with the Government of Bangladesh and the private sector to diversify Bangladesh’s economy and stimulate new economic growth, and announced the results of a recent USAID assessment of emerging industries that hold the highest potential for economic growth for Bangladesh.  These emerging industries include agri-business, information and communications technology, light engineering, tourism, energy, and health.  

Acting Assistant Secretary Wells met with Foreign Minister Dr. A. K. Abdul Momen, Foreign Secretary Shahidul Haque, and the Prime Minister’s Advisor for International Affairs Dr. Gowher Rizvi to review the U.S.-Bangladesh relationship; supporting the response to the Rohingya crisis; enhancing defense cooperation; strengthening governance and rule of law; and highlighting the U.S. Indo-Pacific Strategy’s opportunities for further U.S.-Bangladesh partnership.  She also met with Home Affairs Minister Khan to discuss counterterrorism cooperation and U.S. support for fully implementing Bangladesh’s National Plan of Action to eliminate trafficking in persons.  Meeting with opposition leaders from the Bangladesh National Party and the Jatiya Party, the Acting Assistant Secretary stressed the importance of credible and contested municipal elections.

During her time in Dhaka, Acting Assistant Secretary Wells also hosted roundtables with representatives of U.S. apparel brands, and manufacturers and labor groups to hear more about ongoing efforts to improve labor rights and working conditions.  She met with young leaders working to shape Bangladesh’s future through innovative approaches to volunteerism, community outreach and development, and entrepreneurship.  

Both Deputy Administrator Glick and Acting Assistant Secretary Wells traveled to Cox’s Bazar to meet with key partners and stakeholders concerning the Rohingya crisis response and observe U.S.-supported programs to assist Rohingya refugees and impacted host communities.  The two officials viewed U.S. government activities supporting the refugee response, including a U.S.-supported learning center to observe classroom activities in the camps; a USAID-supported community cooking and learning center, which provides women with a common space to cook safely on gas stoves, learn useful life skills, and build community support networks; and a USAID-supported food shop that gives refugees the chance to select for themselves diverse and nutritious foods using electronic vouchers.  Both also met with UN partners to discuss the assistance efforts led by international organizations and NGOs.

Deputy Administrator Glick visited host communities in Cox’s Bazar, where USAID assistance is helping to increase business opportunities by improving agricultural practices and income prospects in aquaculture, livestock, and other industries; providing primary health care services; and countering human trafficking by raising awareness, supporting victim shelters, and improving living conditions of survivors by expanding income opportunities.  She also visited a USAID-supported shelter focused on limiting human trafficking and providing support services to survivors, and met with local women who suffer from health and nutrition problems caused by poor sanitation and learned how sanitary latrines are helping them improve hygiene in the community.

Deputy Administrator Glick and Acting Assistant Secretary Wells stressed the U.S. government’s commitment to stand with Bangladesh as it hosts the nearly one million Rohingya community members.  The United States is the leading contributor of humanitarian assistance in response to the Rohingya crisis, providing more than $669 million since the escalation of violence in August 2017; more than $553 million of that funding is for programs inside Bangladesh.  This assistance supports local Bangladeshi communities, Rohingya refugees, internally displaced persons, and other affected communities.  The United States continues to call on others to join in contributing to this humanitarian response.  The United States looks forward to the UN technical study of Bhasan Char, which will evaluate its technical, security, and financial feasibility to serve as an additional locale for Rohingya refugees.  In her meetings with Government of Bangladesh officials Acting Assistant Secretary Wells stressed that the solution to the Rohingya refugee crisis lay in Burma and condemned the inaction by Burmese authorities to create conditions for voluntary, safe, and dignified returns.  Acting Assistant Secretary Wells underscored that the United States will continue its bilateral and multilateral efforts to bring a conclusion to this refugee crisis.

The visits by USAID Deputy Administrator Glick and Acting Assistant Secretary of State Wells highlighted the many initiatives of the U.S. government to promote greater cooperation, dialogue, and mutual understanding between Bangladesh and the United States, and a strong partnership to help ensure a free and open Indo-Pacific region.



ইউএসএআইডির উপ প্রশাসক বনি গ্লিক ও ভারপ্রাপ্ত সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিস জি ওয়েলসের বাংলাদেশ সফর

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক গভীর করা এবং সহযোগিতার প্রধান ক্ষেত্রগুলো নিয়ে কাজ করতে তাঁরা সরকারি কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক ও বাস্তবায়নকারী অংশীদার, এবং বাংলাদেশের প্রধান জনগোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।


ঢাকা, ৭ নভেম্বর, ২০১৯ – যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের মধ্যে সম্প্রসারিত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়া, বাণিজ্যিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ক আরো বৃদ্ধি এবং চলমান রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) উপ প্রশাসক বনি গ্লিক এবং ভারপ্রাপ্ত সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিস জি ওয়েলস গত ৫-৭ নভেম্বর বাংলাদেশ সফর করেন।

ঢাকায় অবস্থানকালে উপ প্রশাসক গ্লিক বাণিজ্য-অনুকূল পরিবেশের উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপগুলোকে সহযোগিতা দেওয়ার ব্যাপারে ইউএসএআইডির অঙ্গীকার জোরদার করতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সভাপতি সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের এক এক অনুষ্ঠানে তিনি বাংলাদেশের অর্থনীতির বহুমুখীকরণ এবং নতুন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি চাঙ্গা করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে ইউএসএআইডির অংশিদারিত্বের কথা তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা ধারণকারী উত্থানশীল শিল্পগুলোর ব্যাপারে ইউএসএআইডির একটি সাম্প্রতিক মূল্যায়নের ফলাফল ঘোষণা করেন। এইসব উত্থানশীল শিল্পের মধ্যে রয়েছে কৃষি-বাণিজ্য, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, হালকা প্রকৌশল, পর্যটন, জ্বালানী এবং স্বাস্থ্য।

ভারপ্রাপ্ত সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়েলস যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক, রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ে গৃহিত পদক্ষেপে সহায়তা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি, শাসন ও আইনের শাসন শক্তিশালীকরন, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অংশিদারিত্ব এগিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় কৌশলের সুযোগগুলো তুলে ধরতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক এবং প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সন্ত্রাসবাদবিরোধী সহযোগিতা ও মানব পাচার বন্ধে বাংলাদেশের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা পুরোপুরি বাস্তবায়নে সহায়তার বিষয়ে আলোচনা করতে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও জাতীয় পার্টির নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ভারপ্রাপ্ত সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রহণযোগ্য ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পৌরসভা নির্বাচনের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

ঢাকায় অবস্থানকালে ভারপ্রাপ্ত সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়েলস যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন নামকরা পোশাক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিল্পোৎপাদনকারী এবং শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠক করে শ্রম অধিকার ও কর্মপরিবেশের উন্নয়নে চলমান প্রচেষ্টাগুলোর ব্যাপারে অবগত হন। তিনি স্বেচ্ছাসেবা, জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সংযোগ, উন্নয়ন ও শিল্পোদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভবিষ্যত গঠনে কর্মরত যুব নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

রোহিঙ্গা সংকট সংক্রান্ত প্রধান অংশীদার ও অংশীজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী ও ক্ষতিগ্রস্ত আশ্রয়দানকারী জনগোষ্ঠীদের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত বিভিন্ন কর্মসূচি পর্যবেক্ষণে উপ প্রশাসক গ্লিক এবং ভারপ্রাপ্ত সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়েলস উভয়ই কক্সবাজার সফর করেন। দুই কর্মকর্তা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য গৃহিত পদক্ষেপসমুহকে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কর্মকাণ্ড দেখেন। এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যে আছে শরণার্থী শিবিরগুলোয় শ্রেণিকক্ষের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণে যুক্তরাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত শিক্ষাকেন্দ্র; ইউএসএআইডির পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর এমন একটি রান্না ও শিক্ষাকেন্দ্র, যেটি নারীদের গ্যাসের চুলায় নিরাপদে রান্নার অভিন্ন জায়গার ব্যবস্থা করে দেয়, জীবিকার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা শেখায় এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সহায়তায় নেটওয়ার্ক তৈরি করে; এবং ইউএসএআইডির পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত একটি খাবার দোকান, যেটি শরণার্থীদের ইলেকট্রনিক ভাউচার ব্যবহার করে নিজেদের ইচ্ছামতো বৈচিত্রপূর্ণ ও পুষ্টিকর খাদ্য বেছে নেওয়ার সুযোগ করে দেয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন ও এনজিওর নেতৃত্বে পরিচালিত সহায়তা প্রচেষ্টাগুলোর ব্যাপারে আলোচনা করতে উভয় কর্মকর্তা জাতিসংঘের অংশিদারদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

উপ প্রশাসক গ্লিক কক্সবাজারে আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর এলাকা ঘুরে দেখেন, যেখানে ইউএসএআইডি কৃষি সংক্রান্ত চর্চাগুলোর উন্নয়ন এবং মৎস্য, গবাদিপশু ও অন্যান্য শিল্পে আয়ের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে বাণিজ্য সুযোগ বৃদ্ধির ব্যাপারে সহায়তা দিচ্ছে; প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছে; এবং সচেতনতা তৈরি, আক্রান্তদের আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যাপারে সহায়তা এবং আয়ের সুযোগ তৈরি করে পাচারের হাত থেকে উদ্ধারপ্রাপ্তদের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন ঘটানোর মাধ্যমে মানব পাচার রোধে কাজ করছে। তিনি ইউএসএআইডির পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত একটি আশ্রয়কেন্দ্র সফর করেন, যেটির প্রধান কাজ মানব পাচার সীমিত করে আনা এবং পাচারের হাত থেকে উদ্ধারপ্রাপ্তদের সহায়তা দেওয়া। তিনি এমন কয়েকজন স্থানীয় নারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, যারা দুর্বল স্যানিটেশনের কারণে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সংকটে ভুগছেন। কিভাবে স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটাতে সহায়তা করছে, এ ব্যাপারে তিনি অবগত হন।

যে বাংলাদেশ প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়েছে, সেই দেশের পাশে থাকার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অঙ্গীকারের ওপর জোর দেন উপ প্রশাসক গ্লিক ও ভারপ্রাপ্ত সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়েলস। রোহিঙ্গা সংকটে সাড়া দিয়ে যেসব মানবিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র তাতে প্রধান প্রদায়ক, যারা ২০১৭ সালের আগস্টে সহিসংতা বৃদ্ধির পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬৬৯ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়েছে; এই অর্থায়নের মধ্যে ৫৫৩ মিলিয়ন ডলার বাংলাদেশের ভেতরে কর্মসূচির পেছনে ব্যয়ের জন্যে দেওয়া। এই সহায়তা ব্যয় হয়েছে স্থানীয় বাংলাদেশি জনগোষ্ঠী, রোহিঙ্গা শরণার্থী, অভ্যন্তরীণভাবে স্থানচ্যূত ব্যক্তি এবং অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পেছনে। এই মানবিক সাড়ায় প্রদায়ক হতে যুক্তরাষ্ট্র অন্যদের প্রতি আহ্বান জানানো অব্যাহত রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্র ভাসান চরের ব্যাপারে জাতিসংঘের কারিগরী গবেষণার দিকে তাকিয়ে আছে, জাতিসংঘ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাড়তি অবস্থানস্থল হিসেবে এটির কারিগরী, নিরাপত্তা এবং আর্থিক সম্ভাব্যতা মূল্যায়ন করবে। বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তাদের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটের সুরাহা রয়েছে বার্মার হাতে এবং একটি স্বেচ্ছায়, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের উপযোগী অবস্থা তৈরি করতে বর্মি কর্তৃপক্ষের উদ্যোগহীনতার সমালোচনা করেন। ভারপ্রাপ্ত সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে জোর দেন যে, এই শরণার্থী সংকটের নিষ্পত্তি ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্র তার দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

ইউএসএআইডির উপ প্রশাসক গ্লিক এবং সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়েলসের এই সফর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আরো সহযোগিতা, সংলাপ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানো এবং একটি স্বাধীন ও উন্মুক্ত ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল নিশ্চিত করতে সহায়তার জন্য জোরালো অংশিদারিত্বের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের গৃহিত বহু উদ্যোগের একটি।