Embassy of the United States of America
Public Affairs Section
Tel: 880-2-55662000
Fax: 880-2-9881677, 9885688
E-mail: DhakaPA@state.gov
Website: https://bd.usembassy.gov




DHAKA, MAY 15, 2018— The United States, through the U.S. Agency for International Development (USAID),  is providing an additional $44 million in humanitarian assistance to meet the urgent needs of Rohingya refugees and others affected by violence and conflict in Burma.  This brings the U.S. contribution to the crisis response in Burma and Bangladesh to more than $207 million since August 25, 2017, and total U.S. humanitarian assistance for displaced Rohingya in and from Burma to more than $299 million since October 1, 2016.  USAID Administrator Mark Green announced this new funding during his visit to the Kutapalong camp in Cox’s Bazar.

Since last August, nearly 700,000 Rohingya people have fled violence in Burma’s Rakhine State, crossing the border into Bangladesh, which was already hosting more than 300,000 Rohingya refugees. In addition, in Burma, 8.3 million people live in areas affected by conflict, not only in Rakhine State, but throughout the country.  This conflict, and the ensuing displacement of people, has created one of the world’s largest humanitarian crises.

As the world’s largest humanitarian provider, the United States is actively responding to urgent needs on both sides of the Burma-Bangladesh border.  This funding announcement brings the total USAID support to respond to the crisis to $100 million since August 2017. With this new funding, the United States will provide emergency food assistance in and around Cox’s Bazar, to include emergency food for general distribution, specialized foods to treat acute malnutrition, and vouchers so refugees can buy food in local markets, where available.  This funding will also provide emergency food and nutrition assistance, shelter, medical care, and other critical aid for millions of people affected by the ongoing conflict in Rakhine, Shan, and Kachin States in Burma.

As part of the more than $207 million contributed by the U.S. since August 2017, the U.S. Department of State’s Bureau of Population, Refugees, and Migration (PRM) has provided nearly $128 million in humanitarian assistance for Rohingya refugees and Bangladeshi host communities.  This U.S. assistance also supports humanitarian organizations, including the UN High Commissioner for Refugees (UNHCR), the International Organization for Migration (IOM), UNICEF, and the Red Cross and Red Crescent Movement to provide protection, emergency shelter, water, sanitation, health care, and psychosocial support for people affected by the crisis.  The assistance also support disaster preparedness for the impending monsoon and cyclone seasons, in order to prevent loss of life, shelter, and access to critical services.

In addition to humanitarian funding, other assistance to Cox’s Bazar host communities is delivered by the World Food Program through a grant funded by the U.S. Department of Agriculture’s McGovern-Dole program (International Food for Education and Child Nutrition Program: Bangladesh). This school feeding program provides nearly 48,000 primary school children in Cox’s Bazar with a daily high energy biscuit, establishes school gardens, and improves the health and dietary practices within the local communities.

Also, the U.S. Centers for Disease Control and Prevention (CDC) provides direct technical and scientific support to prevent, detect, and respond to disease outbreaks and other major public health issues facing the Rohingya.  CDC is working with the Ministry of Health and Family Welfare (MoHFW), UNICEF, ACF, WHO, and other partners to better understand nutrition and immunization status of the Rohingya to inform future health initiatives.  Earlier this year, CDC provided laboratory training and supplies that allowed the MoHFW to confirm diphtheria as the source of a large outbreak in the camps.

The United States remains committed to helping those affected by this conflict and commend the government and people of Bangladesh, who have responded swiftly and generously to the refugees arriving in Bangladesh.




রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত ৪৪ মিলিয়ন
ডলার মানবিক সহায়তা প্রদান


ঢাকা, ৫ই মে, ২০১৮ —  মিয়ানমারে সহিংসতার কারণে শরণার্থী হওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও এই সঙ্কটে ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি প্রয়োজনে মানবিক সহায়তা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র এর আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসআইডি) মাধ্যমে অতিরিক্ত ৪৪ মিলিয়ন ডলার প্রদান করছে।  এর ফলে ২০১৭ সালের ২৫শে আগস্ট থেকে সৃষ্ট এই সংকটে বার্মা ও বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার পরিমাণ দাঁড়াল ২০৭ মিলিয়ন ডলারেরও বেশী, এবং ২০১৬ সালের অক্টবর থেকে বার্মায় ও বার্মা থেকে আগত বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর জন্য মোট মানবিক সহায়তার পরিমান দাড়িয়েছে ২৯৯ মিলিয়ন ডলারেরও বেশী।  ইউএসআইডি প্রশাসক মার্ক গ্রিন কক্সবাজারে কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শনকালে এই নতুন অর্থসহায়তার ঘোষণা দেন।

গত আগস্ট থেকে প্রায় ৭০০,০০০ রোহিঙ্গা বার্মার রাখাইন রাজ্যের সহিংসতা থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন, যে দেশটিতে আগে থেকেই প্রায় ৩০০,০০০ শরণার্থী রয়েছেন।  এছাড়াও মিয়ানমারে প্রায় ৮.৩ মিলিয়ন মানুষ সঙ্ঘাতপূর্ণ এলাকায় বসবাস করেন।  তাঁরা শুধু রাখাইন রাজ্যে নয়, পুরো মিয়ানমার জুড়েই বাস করেন। এই সংঘাত ও এর কারণে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠী বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সঙ্কটের জন্ম দিয়েছে।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ মানবিক দাতা হিসেবে, যুক্তরাষ্ট্র বার্মা-বাংলাদেশ সীমান্তের দু’পাশে জরুরি প্রয়োজন মেটাতে সক্রিয়ভাবে সাড়া দিচ্ছে।  এই তহবিল ঘোষণার ফলে গত বছরের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত এই সঙ্কটে ইউএসআইডি’র মোট সহায়তার পরিমাণ দাঁড়াল ১০০ মিলিয়ন ডলারে।  এই নতুন তহবিলের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে যে সহায়তা প্রদান করবে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে  – কক্সবাজার ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বসবাসরত শরণার্থীদের জন্য জরুরি খাদ্য সহায়তা।  এই সহায়তার মধ্যে রয়েছে সাধারণ বন্টনের জন্য জরুরি খাদ্য, তীব্র পুষ্টিহীনতারোধে বিশেষায়িত খাবার এবং ভাউচার, যা ব্যবহার করে শরণার্থীরা স্থানীয় বাজার থেকে সুলভে খাদ্যসামগ্রী ক্রয় করতে পারবে।  এই তহবিলের মাধ্যমে মিয়ানমারের রাখাইন, শান ও কাচিন রাজ্যের চলমান সংঘাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষের জন্য জরুরি খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা, আশ্রয়, স্বাস্থসেবা এবং অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় সাহায্যও প্রদান করা হবে।

২০১৭ সালের আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রদত্ত ২০৭ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র দপ্তরের পপুলেশন, রিফিউজিস, এবং মাইগ্রেশন (পিআরএম)  ব্যুরো প্রায় ১২৮ মিলিয়ন ডলারের মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বাংলাদেশে তাদের আশ্রয় দেয়া স্থানীয় জনগণের জন্য।  যেসব মানবিক সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা পিআরএম-এর এই অর্থসহায়তা পেয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউএনএইচসিআর, আইওএম, ইউনিসেফ এবং রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট।  সংস্থাগুলো এই অর্থ সহায়তা এই সঙ্কটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা, জরুরী আশ্রয়, নিরাপদ পানি, পরিষ্কার-পরিচ্ছনতা, স্বাস্থ্যসেবা ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে ব্যবহার করছে।  এই সহায়তা আসন্ন বর্ষা ও ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুমে জীবনহানি থেকে রক্ষা, আশ্রয়, ও অত্যাবশ্যকীয় সেবা নিশ্চিত করতে শরণার্থীদের প্রস্তুতি গ্রহণে সাহায্য করছে।

মানবিক সহায়তা তহবিল ছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্র কৃষি দপ্তরের ম্যাকগভার্ন-ডোল কর্মসূচি (ইন্টার্ন্যাশনাল ফুড ফর এডুকেশন অ্যান্ড চাইল্ড নিউট্রিশন প্রোগ্রামঃ বাংলাদেশ) প্রদত্ত অনুদানের তহবিলে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য সহায়তা প্রদান করছে।  এই স্কুল ফিডিং কর্মসূচির অধীন কক্সবাজারে প্রায় ৪৮,০০০ প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন হাই এনার্জি বিস্কুট প্রদান করা হচ্ছে।  এই কর্মসূচির অধীন স্কুল-সংলগ্ন বাগান ও স্থানীয় কমিউনিটিগুলোর জন্য স্বাস্থ্য ও খাদ্যাভ্যাস উন্নয়ন বিষয়ক কর্মকান্ডও রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেণ্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনসন (সিডিসি) রোহিঙ্গাদের রোগ প্রতিরোধ, সনাক্তকরণ, এবং রোগের প্রাদুর্ভাব ও অন্যান্য প্রধান জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সরাসরি প্রযুক্তিগত এবং বৈজ্ঞানিক সহায়তাও দিয়ে থাকে।  সিডিসি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ইউনিসেফ, এসিএফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, এবং অন্যান্য অংশীদারদের সাথে রোহিঙ্গাদের পুষ্টি এবং প্রতিষেধক বিষয়ে ভালভাবে বুঝে ভবিষ্যত স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উদ্যোগের ব্যাপারে তথ্য সরবরাহ করতে কাজ করছে।  এ বছরের শুরুতে, সিডিসি পরীক্ষাগারের প্রশিক্ষণ এবং সরঞ্জাম প্রদান করে যার ফলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় রোহিঙ্গা শিবিরে ডিপথেরিয়ার ব্যাপক প্রাদুর্ভাবের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়।

এই সংঘাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্তের সহায়তা প্রদানে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।  বাংলাদেশে আগত শরণার্থীদের প্রতি দ্রুত ও উদারতার সাথে সাড়া প্রদান করায় দেশটির সরকার ও জনগণকে যুক্তরাষ্ট্র সাধুবাদ জানায়।