Statement of Alice G. Wells, Acting Asst. Secretary, Bureau of SCA, Before The House Foreign Affairs Subcommittee on Asia & The Pacific

Chairman Sherman, Ranking Member Yoho, and Distinguished Members of the Subcommittee: Thank you for inviting me to testify on human rights issues in South Asia. I’m honored to be here today alongside my colleague from the Bureau of Democracy, Human Rights, and Labor, Assistant Secretary Robert Destro.

South Asia is a cornerstone of the President’s initiative to advance a free and open Indo-Pacific in which all nations are independent, strong, and prosperous. Our support for human rights in those nations is a key component of the accountable governance required for the initiative to succeed and for the people of the region to enjoy long-term stability and prosperity. We have seen progress on human rights in the region, but remain concerned about continued challenges, including a lack of transparency and insufficient support for democratic institutions, civil society, and individual liberties.

The ability of governments to create and sustain the conditions needed to maintain rule of law and respect for individual and minority rights is fundamental to a free and open Indo-Pacific region. Our goal is to work with our partners in South Asia to support these necessary conditions and protect human rights.

As a secular, developing country that prides itself on tolerance and diversity with a female head of state, Bangladesh serves as an example for many Muslim-majority countries around the world. Furthermore, Bangladesh has made impressive strides in growing its economy and shrinking poverty. The increased capacity to fully respect democratic and political institutions, human rights and fundamental freedoms will contribute to its developmental aspirations.
Over the last decade, Bangladesh has grown healthier and wealthier, and is on course to graduate from Least Developing Country status by 2024. Bangladesh has maintained GDP growth of more than seven percent for over a decade and the government is committed to achieving its Social Development Goals including in areas of gender equality and infrastructure development. While nearly one in five Bangladeshis live in poverty, that represents a significant reduction from nearly half the population living below the poverty line just two decades ago. Additional gains include the reduction in child mortality rates by a factor of three and increases in secondary school enrollment (by 50 percent) over the same time period.

However, we remain concerned about political freedoms in Bangladesh and the direction of the country’s democratic trajectory. We continue to believe that it is critical for the Bangladesh government to allow civil society organizations to operate; for individuals and groups to be able to express their views freely, including online; and for the political opposition to play its lawful role in a democracy. Civil society is threatened by a shrinking space for activism and prohibitive draft regulations and faces public criticism, including towards humanitarian workers responding to the Rohingya crisis. Journalists continue to self-censor for fear of the Digital Security Act,
which was introduced in 2018 to prosecute cybercrimes but offers a legal instrument to effectively criminalize some forms of free speech.

Toward those ends, we are working with Bangladesh to improve its democratic governance and strike a better balance between individual liberties and national security. This includes regularly raising our concerns on democracy, human rights, and labor policy. We have called on Bangladesh’s leaders to ensure free and fair elections. Along with several of our likeminded partners, the United States found that the December 2018 elections were neither free nor fair, and we have voiced our concern that police suppression and intimidation of civil society, free media, and political opposition took place ahead of those elections. We have also funded programs that support governance progress across Bangladesh, to include encouraging Bangladesh’s justice sector to establish dedicated courts to counter trafficking in persons.

Given Bangladesh’s own development needs, the decision Prime Minister Hasina made to open the country’s borders to over 700,000 Rohingya refugees since August 2017 deserves recognition from international partners, including the United States. The hosting of Rohingya refugees has come with genuine consequences for Bangladesh, which was already one of the most densely populated countries in the world. The government estimates host communities in Cox’s Bazar are outnumbered by refugees two to one, and that these communities have endured economic disruptions, ecological damage, and uncertainty about their own future just as the Rohingya face uncertainty about theirs. The United States is Bangladesh’s leading partner in  responding to the humanitarian crisis with more than $669 million in assistance provided since August 2017. As we have met the immediate emergency response, we maintain that Burma must create the conditions for the Rohingya’s voluntary, safe, dignified and sustainable repatriation and guarantee their rights as recommended by the Annan Commission recommendations. Prime Minister Hasina has repeatedly reaffirmed Bangladesh’s commitment to voluntary repatriation. We urge Bangladesh to postpone any refugee relocations to Bhashan Char until independent experts can determine it is a suitable location.

Bangladesh remains a key Indo-Pacific partner of the United States in regional stability, counter terrorism, two-way trade, development, and poverty reduction, as well as the hosting of 700,000 Rohingya refugees. We have emphasized that fully respecting democratic rights and improving transparency and accountability will contribute directly to Bangladesh’s aspirations for economic growth and development.



অ্যালিস জি. ওয়েলস, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন ভারপ্রাপ্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি । যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিষয়ক সাবকমিটির সামনে তিনি এই বিবৃতি তুলে ধরেন:


চেয়ারম্যান শেরম্যান, রাঙ্কিং মেম্বার ইয়োহো ও সাবকমিটির বিশিষ্ট সদস্যবৃন্দ: আমাকে দক্ষিণ এশিয়ার মানবাধিকার ইস্যুতে সাক্ষ্য দিতে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ধন্যবাদ। সহকর্মী গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রমবিষয়ক ব্যুরোর প্রধান সহকারী মন্ত্রী রবার্ট ডেস্ট্রোর সঙ্গে এখানে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি।

ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একটি মুক্ত ও অবাধ ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে প্রেসিডেন্টের উদ্যোগের ভিত্তি হলো দক্ষিণ এশিয়া। যেখানে সব দেশ হবে স্বাধীন, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধশালী। মুক্ত ও অবাধ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ সফল হওয়া এবং এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন জবাবদিহিমূলক শাসন। আর এ জবাবদিহিমূলক শাসনের অন্যতম মূল উপাদান হবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে মানবাধিকারের জন্য আমাদের সমর্থন। আমরা এ অঞ্চলে মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতি দেখেছি। তবে এখনো বিরাজমান চ্যালেঞ্জগুলোর ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন রয়ে গেছে। এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে স্বচ্ছতার অভাব এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, সুশীল সমাজ ও ব্যক্তির স্বাধীনতার প্রতি অপর্যাপ্ত সমর্থন।

একটি মুক্ত ও অবাধ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল গড়ে তোলার মৌলিক বিষয় হচ্ছে আইনের শাসন এবং ব্যক্তির প্রতি সম্মান ও সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিত করার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি আর তা ধরে রাখার ব্যাপারে সরকারগুলোর সক্ষমতা। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো এই বিষয়গুলোতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া ও মানবাধিকার রক্ষা করার জন্য দক্ষিণ এশিয়ায় আমাদের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করা।


একটি ধর্মনিরপেক্ষ, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী অনেক মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের জন্য একটি দৃষ্টান্তস্বরূপ। একজন নারী সরকারপ্রধানের রাষ্ট্র বাংলাদেশ তার সহনশীলতা ও বৈচিত্রের জন্য গর্ব করতে পারে। এছাড়া বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ও দারিদ্র্য হ্রাসের ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় অগ্রগতি সাধন করেছে। গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতাগুলোকে পুরোপুরিভাবে মান্য করার ক্ষেত্রে সামর্থ্য বৃদ্ধি পেলে উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশটির প্রত্যাশার বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

গত এক দশকে বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়েছে। দেশটি হয়েছে অধিকতর সম্পদশালী। ২০১৪ সাল নাগাদ বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নীত হওয়ার পথে রয়েছে। দেশটি গত এক দশকের বেশি সময় ধরে ৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে। বাংলাদেশের সরকার লৈঙ্গিক সাম্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রসহ সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জনে অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রায় পাঁচজনের একজন বাংলাদেশি দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করলেও মাত্র দুই দশক আগে জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকেরই দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকার তুলনায় তা অনেক কম। আরও যেসব অর্জন হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে শিশুমৃত্যুর হার তিনগুণ কমা এবং একই সময়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার ৫০% বৃদ্ধি পাওয়া।

তবে বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্বাধীনতা এবং দেশটির গণতন্ত্রের গতিপথের ব্যাপারে আমাদের উদ্বেগ রয়ে গেছে। আমরা এখনো মনে করি সুশীল সমাজের সংগঠনগলোকে যথাযথভাবে কাজ করতে দেওয়া, ব্যক্তি ও দলগুলোকে স্বাধীনভাবে তাদের মতামত প্রকাশ করতে দেওয়া (অনলাইনেসহ) বাংলাদেশ সরকারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় তাদের আইনসঙ্গত ভ’মিকা পালন করা।

সক্রিয়তার পরিসর ক্রমশই কমে যাওয়া এবং নিয়ন্ত্রণমূলক খসড়া আইনকানুনের কারণে সুশীল সমাজের প্রতি হুমকি সৃষ্টি হয়েছে। তারা প্রকাশ্য নিন্দার সম্মুখীন, যাদের মধ্যে আছে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় কর্মরত মানবিক সহায়তা কর্মীরাও। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ভয়ে সাংবাদিকরা এখনও সেলফ সেন্সরশিপ চালাচ্ছেন। ২০১৮ সালে এ আইনটি প্রবর্তন করা হয় সাইবার অপরাধের বিচারের জন্য। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার আইনি পন্থা হিসেবে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে আইনটিতে।

এই লক্ষ্যে আমরা গণতান্ত্রিক শাসনপ্রক্রিয়ার উন্নয়ন ঘটানো এবং ব্যক্তি স্বাধীনতা ও জাতীয় নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্যের উন্নতি করার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করছি। এর মধ্যে রয়েছে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রম নীতি বিষয়ে নিয়মিতভাবে আমাদের উদ্বেগ প্রকাশ করা। আমরা অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছি। সমমনা বেশ কয়েকটি সহযোগী দেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র দেখেছে, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচন অবাধ বা নিরপেক্ষ কোনটাই ছিল না। আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছি, ওই নির্বাচনের প্রাক্কালে সুশীল সমাজ, মিডিয়া ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর পুলিশের দমন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন চলেছে। এছাড়া আমরা বাংলাদেশ জুড়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে এমন কর্মসূচিতে তহবিল সরবরাহ করেছি। এর মধ্যে আছে মানবপাচারকারীদের বিচার করার জন্য বিশেষ আদালত প্রতিষ্ঠা করতে বাংলাদেশের বিচার বিভাগকে সহায়তা। বাংলাদেশের নিজের উন্নয়ন সম্পর্কিত প্রয়োজনের বিচারে ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গার জন্য দেশের সীমান্ত খুলে দেওয়ার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সহযোগীদের স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়াটা বাংলাদেশের জন্য গুরুতর সমস্যার সৃষ্টি করেছে, যেটি কিনা ইতিমধ্যেই বিশ্বের সবচয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। সরকারের হিসাবে কক্সবাজারের স্থানীয় মানুষদের প্রতি একজনের স্থানে শরণার্থী রয়েছে দুজন। রোহিঙ্গাদের জন্য এলাকার মানুষের অথনৈতিক কার্যক্রমে বিড়ম্বনা ও পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে এবং তারা নিজেদের ভবিষ্যত নিয়ে রোহিঙ্গাদের মতোই অনিশ্চয়তার সম্মুখীন। যুক্তরাষ্ট্র এই মানবিক সংকট মোকাবেলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় সহযোগী। ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্র এজন্য সহায়তা হিসেবে ৬৬ কোটি ৯০ লাখ ডলারের বেশি দিয়েছে। আশু জরুরি সহায়তার প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি আমরা বলে আসছি যে, বার্মাকে (মিয়ানমার) অবশ্যই রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং আনান কমিশনের সুপারিশমত অধিকারের নিশ্চয়তা দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে বাংলাদেশের অঙ্গীকারের কথা বারবার জোর দিয়ে বলেছেন। ভাসান চর উপযুক্ত জায়গা বলে নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত সেখানে শরণার্থীদের সরিয়ে নেওয়া স্থগিত রাখতে আমরা বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানাই। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা, দ্বিমুখী বাণিজ্য, উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসের পাশাপাশি ৭ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের এক গুরুত্বপূর্ণ ইন্দো-প্যাসিফিক সহযোগী। আমরা জোর দিয়ে বলেছি, গণতান্ত্রিক অধিকারসমূহের প্রতি পরিপূর্ণভাবে শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে উন্নতি করা সম্ভব হলে তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের প্রত্যাশা পূরণে প্রত্যক্ষভাবে অবদান রাখবে।