Remarks for the U.S. Independence Day Program BY US Ambassador Marcia Bernicat

Embassy of the United States of America
Public Affairs Section
Tel: 880-2-55662000
Fax: 880-2-9881677, 9885688



Remarks for the U.S. Independence Day Program
BY US Ambassador Marcia Bernicat 
Tuesday, July 3, 2018
6:30 p.m.
Atrium, Chancery



His Excellency Abul Hassan Mahmood Ali, M.P., Honorable Foreign Minister;

Dr. Tess Caswell, Planetary Scientist and Flight Controller;

Dignitaries, friends and colleagues:

Assalam-u-Alaikum, Nomoshkar, Shubho Shondha.


Welcome to the U.S. Embassy and happy early 4th of July!  Tomorrow, Americans all over the world will celebrate this holiday with family and friends.  As many of you know, this is my last Independence Day celebration as the U.S. Ambassador to Bangladesh.  I could not be more grateful to have all of you here to help us commemorate the 242nd anniversary of the United States of America’s independence.

Our national day is not just the anniversary of the birth of our nation.  It is a reminder of the enduring truth that a people can design their own future, a truth that drives us to constantly seek to ensure the right to life, liberty and the pursuit of happiness for all our citizens.  The 4th of July is evidence that a grand experiment—an experiment in self-governance, in democracy, in the unwavering pursuit of liberty—can shape the world.  That experiment is alive and well today as we continue to do what our founders declared, “to form a more perfect union.”

As I hope you can tell from the décor, for this year’s celebration we chose to highlight one of our grandest, yet most humbling, achievements: our journey into space and NASA’s 60th anniversary.

What was once a race between the United States and the Soviet Union, the embodiment of an intractable conflict, has redefined nearly every aspect of our lives.  Our desire to reach and explore outer space has inspired and propelled our drive to discover new technologies.  Those technologies have improved countless lives in every corner of the world.  From camera phones and athletic shoes to portable water purification devices and lifesaving nutrient-rich baby formula—these inventions are a direct result of our space programs.  And today, space exploration and research has become a unique—albeit unexpected—cornerstone of diplomacy.

This year the world watched as Bangladesh, with the support of NASA and SpaceX, launched Bangabandhu One—opening a new chapter in Bangladesh’s rapid acceleration toward becoming a middle-income country.  The Bangabandhu One satellite is a true testament to the remarkable will and innovation of the Bangladeshi people.

I believe it is this will, this ambition for growth and progress that unites Americans and Bangladeshis.  Enshrined in both our constitutions is the notion that all people are created equal and, when given the opportunity and freedom to think, invent, and express themselves, the potential is limitless.

Later this year, both our countries will put these values to the test.  Both of our countries will ask our citizens to head to the ballot box in the truest expression of self-governance.

So as I conclude my time here in Bangladesh, I ask the government of Bangladesh and the people of Bangladesh for the same thing I ask of my own government and my own people: Amader shomorthon korte hobe ohingsho, obadh, o bishash joggo nirbachon ja kina jonogoner icchar protifolon. [support non-violent, free, fair, and credible elections that reflect the will of the people.]

Bangladeshi jonogoner proggya ebong prottoy darai ekti shadhin, dhormo niropekkho o gonotantric rashtrer jonmo shombhob hoye chilo. [The wisdom and determination of the Bangladeshi people created an independent, secular, and democratic nation.] Shatchollish bochor por shei eki proggya aar prottoy ekhon moha akashe Bangabandhu satellite sthapon shombhob koreche. [47 years later the same wisdom and determination launched the Bangabandhu satellite into space.]

Ami bishash kori shei eki proggya o protiti bhobishot projonmer jonno Sonar Banglar shawpno puron korbe. [I believe the same wisdom and determination will fufill the dream of a Sonar Bangla for future generations.]

While I’ll be sad to leave Bangladesh, I already know I will return.  When I come back to visit, I expect to see a dramatically different country.  A more advanced and developed Bangladesh.  But a Bangladesh with the same determination and passion for liberty that has endured since 1971.

Before he died on the 50th anniversary of our independence, Thomas Jefferson, the author of the Declaration of Independence, anticipated our celebration today, writing, “For ourselves, let the annual return of this day forever refresh our recollections of these rights, and an undiminished devotion to them.”

Today I am happy to recall and to celebrate with you these rights and founding principles that have endured for 242 years—these universal rights and principles that, in many ways, connect our two countries and serve the common welfare of our citizens and the world.

Thank you and for celebrating our Independence Day with us!

Onek Dhonnobad!

Abar dekkha hobe!




যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট এর বক্তব্য
মঙ্গলবার, ৩রা জুলাই, ২০১৮
সন্ধ্যা ৬:৩০
এট্রিয়াম, চ্যান্সেরি



হিজ এক্সসেলেন্সি আবুল হাসান মাহমুদ আলী এম. পি., মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ;

মাননীয় প্রধান অতিথি ড.ক্যাসওয়েল, নভো বিজ্ঞানী এবং মহাকাশে ফ্লাইট নিয়ন্ত্রণকারী; গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বন্ধু ও সহকর্মীরা:

আসসালামু আলাইকুম, নমস্কার, শুভ সন্ধ্যা।

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে আপনাদের স্বাগতম এবং ৪ঠা জুলাইয়ের আগাম শুভেচ্ছা! আগামীকাল বিশ্বজুড়ে আমেরিকানরা তাদের পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে এই ছুটির দিনটি উদযাপন করবে। আপনাদের অনেকেই যেমনটি জানেন, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে এটাই আমার শেষ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন। যুক্তরাষ্ট্রের ২৪২তম স্বাধীনতা বার্ষিকী উদযাপনে আপনারা আমাদের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসটি নিছক আমাদের দেশের জন্মলাভের বার্ষিকী নয়। এটা সেই শাশ্বত সত্যকেই স্মরণ করিয়ে দেয় যে, একটা জনগোষ্ঠী চেষ্টা করলে তাদের নিজস্ব ভবিষ্যত গড়ে নিতে পারে। এমন ভবিষ্যত যা অব্যাহতভাবে জীবনের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং দেশের সকল নাগরিকের জন্য সুখ-শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে যায়। একটা সুবিশাল পরীক্ষা- স্বশাসন,গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার জন্য অবিচল সাধনার এক পরীক্ষা- যে বিশ্বকে বদলে দিতে পারে ৪ ঠা জুলাই তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ। সেই পরীক্ষাটি আমাদের মাঝে বেঁচে আছে এবং আজকে তা ভালোভাবেই আছে  যতদিন আমরা আমাদের স্বাধীনতার প্রতিষ্ঠাতারা  যা ঘোষণা করেছেন “আরো নিখুঁত ঐক্য গড়ে তুলতে”    তা  অনুসরণ করছি ।

আপনারা হয়তো এই সাজসজ্জা থেকে বুঝতে পারছেন, এবারের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সময় সামনে তুলে ধরার জন্য আমরা বেছে নিয়েছি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটিকে -যা একইসঙ্গে সবচেয়ে বিনীত ঘটনাও বটে । সেটি হচ্ছে আমাদের মহাকাশ অভিযান এবং নাসার ৬০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

একটা সময় এটা ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে এক তুমুল প্রতিযোগিতা, যা দুর্দানত  দ্বন্দ্বকে ধারণ করেছিল এবং আমাদের জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রকে নতুন করে সংগায়িত করেছে । সুদূর মহাশূন্যে বেরিয়ে পড়ে অনুসন্ধানের অদম্য আকাঙ্খা আমাদের নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিস্কারের প্রচেষ্টাকে উৎসাহ যুগিয়ে এগিয়ে নিয়েছে। এসব প্রযুক্তি বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের অগণন মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছে। ক্যামেরা ফোন ও খেলোয়াড়দের জুতা থেকে শুরু করে বহনযোগ্য পানি শোধনের যন্ত্র এবং জীবনরক্ষাকারী পুষ্টিসমৃদ্ধ শিশু ফর্মূলা  -এ রকম অনেক উদ্ভাবনই আমাদের মহাকাশ কর্মসূচির প্রত্যক্ষ ফল। আর বর্তমানে মহাকাশ অনুসন্ধান ও গবেষণার বিষয়টি কূটনীতির ক্ষেত্রেও অপ্রত্যাশিতভাবে হলেও এক অনন্য ভিত্তি পেয়েছে।

চলতি বছর বিশ্ব বাংলাদেশকে নাসা ও স্পেসএক্স-এর সহায়তায় বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণ করতে দেখল। বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পথে দ্রুতগতির অভিযাত্রায় এটা এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। বাংলাদেশি জনগণের অদম্য সংকল্প আর সৃষ্টিশীলতার এক টি খাঁটি নজির এটি।

আমার বিশ্বাস, এই   দৃঢ় সংকল্প আর প্রবৃদ্ধি ও অগ্রগতির জন্য এই উচ্চাভিলাষই আমেরিকান ও বাংলাদেশিদের ঐক্যবদ্ধ করেছে। আমাদের উভয় দেশের সংবিধানে এই ধারণা সন্নিবেশিত আছে যে, সকল মানুষ জন্মগতভাবে সমান। তাদের চিন্তা, উদ্ভাবন আর নিজেদের প্রকাশ করার সুযোগ ও স্বাধীনতা দেওয়া হলে অপার সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।

এ বছরের শেষ ভাগে আমাদের উভয় দেশেই এসব মূল্যবোধের একটা পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। উভয় দেশের নাগরিকেরাই ব্যালটবাক্সে নিজেদের মতের প্রতিফলন ঘটাবে, যা হবে স্বশাসনের সত্যিকারের বহিঃপ্রকাশ।

বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের শেষ লগ্নে এসে আমি বাংলাদেশ সরকার ও এ দেশের জনগণকে সেই আহ্বানটিই জানাতে চাই, যা আমি বলতে চাই আমার নিজের দেশের সরকার এবং জনগণকেও। সেটা হচ্ছে: আমাদের সমর্থন করতে হবে অহিংস, অবাধ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন যা কিনা জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন।

বাংলাদেশী  জনগণের  প্রজ্ঞা  এবং  প্রত্যয়  দ্বারাই একটি  স্বাধীন , ধর্ম  নিরপেক্ষ  ও  গণতান্ত্রিক  রাষ্ট্রের  জন্ম  সম্ভব  হয়েছিল I সাতচল্লিশ বছর পর  সেই  একই  প্রজ্ঞা  আর  প্রত্যয়  এখন  মহা  আকাশে  বঙ্গবন্ধু  স্যাটেলাইট  স্থাপন সম্ভব  করেছে I  আমি  বিশ্বাস  করি  সেই  একই  প্রজ্ঞাও  প্রতিটি  ভবিষৎ  প্রজন্মের  জন্য  সোনার  বাংলার  স্বপ্ন  পূরণ  করবে I

বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে আমার কষ্ট হবে। তবে আমি ইতমধ্যেই এখানে আবার আসার পরিকল্পনা করে ফেলেছি। আবার যখন আসব তখন একেবারেই ভিন্ন একটি বাংলাদেশ দেখার প্রত্যাশা করি আমি। আরও অগ্রসর, আরও উন্নত এক বাংলাদেশ। তবে সে বাংলাদেশে থাকবে স্বাধীনতার জন্য সেই একই সংকল্প ও আবেগ যা ১৯৭১ সাল থেকে এ দেশের মানুষের মনে জাগরুক।

যুক্তরাষ্ট্রের ৫০তম স্বাধীনতা দিবসে জীবনাবসান হয়েছিল আমাদের স্বাধীনতার ঘোষণার প্রণেতা টমাস জেফারসনের। মৃত্যুর আগে তিনি হয়তো আমাদের আজকের উদযাপনের ছবিটা কল্পনা করতে  পেরেছিলেন। টমাস জেফারসন লিখেছিলেন: “প্রতিবছর এ দিনটির প্রত্যাবর্তন যেন চিরদিন ওই অধিকারগুলো নিয়ে আমাদের স্মৃতি আর অমলিন শ্রদ্ধা নতুন করে ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে  দেয়।“

আজ আমি ২৪২ বছর ধরে সগর্বে টিকে থাকা ওইসব অধিকার আর প্রতিষ্ঠাকালীন নীতিগুলো আপনাদের সঙ্গে উদযাপন করতে পেরে আনন্দিত। সর্বজনীন এসব অধিকার ও নীতি আমাদের দুই দেশকে নানাভাবে বন্ধনে আবদ্ধ করে। পাশাপাশি উভয় দেশের নাগরিক তথা বিশ্বের জন্য বয়ে আনে অভিন্ন কল্যাণ।

আমাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের জন্য আপনাদের ধন্যবাদ!

অনেক ধন্যবাদ!

আবার দেখা হবে!



Remarks ENG – InPDF

Remarks BNG – InPDF

Adobe Reader Icon
Adobe Reader Icon