Eliminate, Neutralize, and Disrupt (END) Wildlife Trafficking Report 2019

Media Note
Office of the Spokesperson
November 6, 2019

Today the U.S. Department of State submitted the third annual report to Congress as required by the Eliminate, Neutralize, and Disrupt Wildlife Trafficking Act of 2016 (the END Wildlife Trafficking Act).

Wildlife trafficking is a serious transnational crime that threatens security, economic prosperity, the rule of law, long-standing conservation efforts, and human health.  In Executive Order 13773, President Trump called for a comprehensive and decisive approach to dismantle organized crime syndicates, specifically recognizing the connection between wildlife trafficking and transnational criminal organizations.  The United States government’s three-pronged approach to combating wildlife trafficking—strengthening law enforcement, reducing demand, and building international cooperation—deprives criminals of a key source of financing, reducing the criminal threat posed to U.S. citizens.

The END Wildlife Trafficking Act directs the Secretary of State, in consultation with the Secretaries of the Interior and Commerce, to submit to Congress a report that lists Focus Countries and Countries of Concern, as defined in the Act.  Each Focus Country is a major source, transit point, or consumer of wildlife trafficking products or their derivatives.  Identification as a Focus Country is neither a positive nor a negative designation.  Many Focus Countries have taken significant steps to combat wildlife trafficking, including in partnership with the United States.  A Country of Concern is defined as a Focus Country whose government has actively engaged in or knowingly profited from the trafficking of endangered or threatened species.  The United States looks forward to continuing dialogue with both Focus Countries and Countries of Concern to thwart transnational organized crime engaged in wildlife trafficking.

The 2019 Focus Countries are Bangladesh, Brazil, Burma, Cambodia, Cameroon, China, Democratic Republic of the Congo, Gabon, Hong Kong Special Administrative Region, India, Indonesia, Kenya, Laos, Madagascar, Malaysia, Mexico, Mozambique, Nigeria, Philippines, Republic of the Congo, South Africa, Tanzania, Thailand, Togo, Uganda, United Arab Emirates, Vietnam, and Zimbabwe.  The 2019 Countries of Concern are Madagascar, Democratic Republic of the Congo, and Laos.

For more information, please contact OES-PA-DG@state.gov and follow the Bureau of Oceans and International Environmental and Scientific Affairs on Twitter @SciDiplomacyUSA.

====================

বিনাশ করো, প্রতিরোধ করো, এবং ব্যাহত করো (ইএনডি) বন্যপ্রাণী পাচার প্রতিবেদন, ২০১৯

 

 

মিডিয়া নোট
মুখপাত্রের কার্যালয়
৬ নভেম্বর, ২০১৯

বিনাশ করো, প্রতিরোধ করো, এবং ব্যাহত করো বন্যপ্রাণী পাচার আইন ২০১৬ (ইএনডি বন্যপ্রাণী পাচার আইন) অনুযায়ী আজ কংগ্রেসের কাছে তৃতীয় বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।

বন্যপ্রাণী পাচার একটি গুরুতর আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ, যা নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, আইনের শাসন, দীর্ঘমেয়াদী সংরক্ষণ প্রচেষ্টা এবং মানব স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। ১৩৭৭৩ নং নির্বাহী আদেশে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রকে নস্যাৎ করতে, বিশেষ করে বন্যপ্রাণী পাচার ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ সংগঠনগুলোর মধ্যে যোগাযোগ সনাক্ত করতে বিস্তৃত এবং দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। বন্যপ্রাণী পাচারের বিরুদ্ধে লড়াইতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ত্রিমুখী প্রচেষ্টা – আইন প্রয়োগ জোরদার, চাহিদা হ্রাস এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গড়ে তোলা – এই তিনের কারণে অপরাধীরা অর্থায়নের প্রধান উৎসের নাগাল পায় না, এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অপরাধ ঝুঁকি হ্রাস পায়।

ইএনডি বন্যপ্রাণী পাচার আইনের বিধানে বলা আছে, অভ্যন্তরীণ বিষয়াবলী বিষয়ক মন্ত্রী এবং বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কংগ্রেসের কাছে একটি প্রতিবেদন দাখিল করবেন, যার মধ্যে আইনে প্রদত্ত সংজ্ঞা মোতাবেক মনোযোগ আকর্ষণী দেশ এবং উদ্বেগ সৃষ্টিকারী দেশের তালিকা থাকবে। মনোযোগ আকর্ষণী তালিকার প্রতিটি দেশ বন্যপ্রাণী পাচার পণ্য বা সেগুলোর সহযোগী কোনো পণ্যের উৎস, পাচারপথ অথবা ভোক্তা। একটি মনোযোগ আকর্ষণী দেশ হিসেবে সনাক্ত হওয়া কোনো ইতিবাচক বা নেতিবাচক বিষয় না। অনেক মনোযোগ আকর্ষণী দেশ বন্যপ্রাণী পাচার রোধে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে যুক্তরাষ্টের সঙ্গে অংশিদারিত্বও আছে। উদ্বেগ সৃষ্টিকারী দেশ হলো এমন এক মনোযোগ আকর্ষণী দেশ যেটির সরকার বন্যপ্রাণী পাচারের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত, অথবা জ্ঞাতসারে বিপন্ন অথবা ঝুঁকিগ্রস্ত প্রজাতি পাচারের মুনাফা লাভ করে। বন্যপ্রাণী পাচারের সঙ্গে জড়িত আন্তর্জাতিক সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রকে নস্যাৎ করতে যুক্তরাষ্ট্র মনোযোগ আকর্ষণকারী এবং উদ্বেগ সৃষ্টিকারী উভয় ধরনের দেশের সঙ্গে সংলাপ জারি রাখতে আগ্রহী।

২০১৯ সালের মনোযোগ আকর্ষণী দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ব্রাজিল, বার্মা, কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, চীন, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, গ্যাবন, হংকংয়ের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, কেনিয়া, লাওস, মাদাগাস্কার, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, মোজাম্বিক, নাইজেরিয়া, ফিলিপিনস, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, দক্ষিণ আফ্রিকা, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, তোগো, উগান্ডা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভিয়েতনাম এবং জিম্বাবুয়ে। ২০১৯ সালের উদ্বেগ সৃষ্টিকারী দেশগুলো হলো মাদাগাস্কার, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র এবং লাওস।

আরও তথ্য জানতে অনুগ্রহ করে OES-PA-DG@state.gov এই ঠিকানায় যোগাযোগ করুন, এবং মহাসাগর এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশ ও বিজ্ঞান বিষয়ক ব্যুরোকে টুইটারে অনুসরণ করুন @SciDiplomacyUSA।