ইমিগ্র্যান্ট ভিসা

কোভিড১৯ সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণকারী সকল প্রাপ্তবয়স্ক অনাগরিক অনঅভিবাসীদের অবশ্যই কোভিড -১৯ এর টিকা দিতে হবে। এটি ভিসা ইস্যু হওয়াকে প্রভাবিত করবে না তবে শিক্ষার্থীসহ টিকাবিহীন অনাগরিক অন-অভিবাসীদের প্রবেশ স্থগিত করবে। অভিবাসী ভিসায় ভ্রমণ করছেন যারা, তাদের আমাদের প্যানেল চিকিৎসকদের দ্বারা নথিভুক্ত পৃথক মেডিকেল পরীক্ষা এবং টিকা দেওয়ার আবশ্যিক শর্তসমূহ পূরণ করতে হবে।

সকল যাত্রীদের অবশ্যই প্রস্থানের এক ক্যালেন্ডার দিনের মধ্যে করানো একটি কোভিড -১৯ ভাইরাল পরীক্ষার প্রমাণ থাকতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয়তা প্রায়ই পরিবর্তন হয়। এই বিষয়ে সর্বশেষ তথ্যের জন্য সিডিসি-এর ওয়েবসাইট দেখুন।

বাংলাদেশের নাগরিক ও বাসিন্দাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয় ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস থেকে।

কোনো বিদেশি নাগরিককে যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্র্যান্ট ভিসার আবেদন করতে হলে সাধারণত তাকে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা বৈধ স্থায়ী নাগরিক এমন ঘনিষ্ঠ আত্মীয় কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নিয়োগকর্তার স্পনসর পেতে হয়। ইমিগ্র্যান্ট ভিসার জন্য আবেদনের পূর্বে তার পিটিশন অনুমোদিত হতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিদেশি নাগরিকের পক্ষে তার স্পনসর ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসে (ইউএসসিআইএস) পিটিশন পূরণ করার মধ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া শুরু করবে। আপনি চাইলে ঠিকানায় আমাদের ভিসার শ্রেণি বিষয়ক নির্দেশিকা দেখে ইমিগ্র্যান্ট ভিসার বিভিন্ন ধরন সম্পর্কে জানতে পারবেন। তারপর ঠিকানায় ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রক্রিয়া  অপশনে ঢুকে নির্দেশিত ধাপগুলো অনুসরণ করে ইমিগ্র্যান্ট ভিসার আবেদন শুরু করতে পারেন।

ইউএসসিআইএস কর্তৃক আপনার পিটিশন অনুমোদিত হওয়া এবং আপনি ন্যাশনাল ভিসা সেন্টারের (এনভিসি) প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর পরবর্তী করণীয় বিষয়ে নির্দেশনার জন্য এই ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যগুলোর পাশাপাশি এনভিসির নির্দেশনাগুলো পর্যালোচনা করুন।

প্রতারকচক্র ভুয়া বার্তা পাঠাচ্ছে!

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কর্মীরা সনাক্ত করেছে যে, “ভিসা ফি” নেয়ার নাম করে অননুমোদিত প্রক্রিয়ায় অর্থ হাতিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন মানুষের কাছে আসা প্রতারণামূলক ফোন কল, ইমেইল এবং চিঠির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের প্রধান ফোন লাইনের নম্বর নকল করা যেতে পারে, তাই সেখান থেকে প্রাপ্ত ফোন কল ও বার্তাগুলোকে আমাদের অফিস থেকে করা হয়েছে বলে মনে হতে পারে। আমাদের সরকারী ইমেইলের ঠিকানা “.gov” দিয়ে শেষ হয় এবং “.gov” দিয়ে শেষ হয়নি এমন কোন ইমেইল থেকে আসা ভিসা-বিষয়ক যেকোন চিঠিপত্রকেই সন্দেহজনক বলে বিবেচনা করতে হবে। এই কল ও বার্তাগুলোর পিছনের প্রতারকেরা অর্থ হাতিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে নিজেদেরকে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারী কর্মকর্তা হিসাবে জাহির করছে।

ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কখনই আপনাকে ভিসা  ফি প্রদান করার অনুরোধ জানিয়ে ইমেইল বা কল করবে না। ভিসা সাক্ষাৎকার সবসময় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে ব্যক্তিগতভাবে নেয়া হয়, ফোনে নয়, এবং কনস্যুলার সেকশন কখনই বিকাশ, নগদ, রকেট বা অনুরূপ ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে ভিসা ফি প্রক্রিয়া করে না। অন-অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীরা তাদের DS-160 অনলাইন ফর্ম পূরণ করার পর শুধুমাত্র ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল)-এর শাখায় তাদের ভিসা ফি জমা দিতে পারেন।

আরো প্রোগ্রামের তথ্য যাচাই করার জন্য এখানে দেখুন: www.travel.state.gov এবং https://bd.usembassy.gov/visas/.

ভিসা ফি সম্পর্কে আরো তথ্য জানতে আমাদের ওয়েবসাইট দেখুন: https://bd.usembassy.gov/visas/  এবং https://bd.usembassy.gov/visas/immigrant-visas/fees/