বার্মায় গণহত্যার পঞ্চম বছরপূর্তি

পাঁচ বছর আগে, বার্মার সামরিক বাহিনী রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে একটি নৃশংস অভিযান শুরু করেছিল – গ্রামগুলি ধ্বংস করে, ধর্ষণ, নির্যাতন এবং বৃহৎ আকারের সহিংসতা ঘটিয়েছিল যা হাজার হাজার রোহিঙ্গা পুরুষ, নারী এবং শিশুকে হত্যা করেছিল।
আরও পড়ুন»

“রোহিঙ্গা সঙ্কট: প্রত্যাবাসনের উপায়” শীর্ষক সেমিনারে দূতাবাসের আঞ্চলিক শরণার্থী সমন্বয়কারী মিস ম্যাক্যানজি রোও,-এর বক্তব্য

বার্মায় নিজেদের ঘরবাড়ি থেকে প্রায় দশ লাখ রোহিঙ্গা বিতাড়িত হওয়ার পাঁচ বছর পর আমরা একটি সন্ধিক্ষণে উপস্থিত হয়েছি, (আমাদেরকে সিদ্ধান্তে আসতে হবে)।২০১৭ সালে (বার্মায়) গণহত্যা শুরু হওয়ার পর, বাংলাদেশ (মানুষের প্রতি) মহত্ব, উদারতা, সমানুভূতি ও সহভাগিতা কেমন হওয়া দরকার আমাদের সবাইকে দেখিয়েছিল।
আরও পড়ুন»

রাষ্ট্রদূত অ্যালিস জি. ওয়েলসের সাথে ডিজিটাল ব্রিফিং, ভারপ্রাপ্ত সহকারী সচিব, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরো

অভিবাদন, আমি আজকের ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদেরকে স্বাগত জানাচ্ছি। আমাদের সাথে আছেন রাষ্ট্রদূত অ্যালিস ওয়েলস, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত সহকারী সচিব।
আরও পড়ুন»

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশ ও মায়ানমারের অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন মানবিক সহায়তার ঘোষণা

গত ৩ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা শরণার্থী, বাংলাদেশে তাদের আশ্রয় দেওয়া স্থানীয় মানুষ এবং মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা এবং ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য গোষ্ঠীর মানুষদের জন্য বাড়তি ৫ কোটি৯০ লাখ ডলার মানবিক সহায়তার কথা ঘোষণা করেছে।
আরও পড়ুন»

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় ২০২০ জেআরপি তহবিল সরবরাহের ঘোষণা রাষ্ট্রদূত মিলারের

যুক্তরাষ্ট্র সরকার গতকাল জেনেভাতে বাংলাদেশের জন্য ২০২০ সালের ‘জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান’ প্রকাশের সময় রোহিঙ্গা শরণার্থী , তাদের আশ্রয় দেওয়া বাংলাদেশের স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা ও ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য জনগোষ্ঠীর জন্য অতিরিক্ত মানবিক সহায়তা হিসেবে ৫ কোটি ৯০ লাখ ডলারের বেশি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে।
আরও পড়ুন»
আরও দেখাও ∨