Ambassador Miller’s Visit to Sundarbans Promotes Ecosystem Conservation and a Resilient Bangladesh

DHAKA, January 28, 2020 – Ambassador Earl Miller, accompanied by USAID Mission Director Derrick Brown, traveled to the Sundarbans from January 26-28, 2020, to support the growing partnership between the United States and Bangladesh.  Ahead of World Wetlands Day February 2, his visit to the world’s largest mangrove forest highlighted the importance of conserving the Sundarbans and its wildlife.  Healthy ecosystems and protection from natural disasters are critical to developing a resilient Bangladesh.

During the trip, Ambassador Miller met with Bangladesh Forest Department representatives at Harbaria and visited U.S. government supported conservation activities that contribute to the protection of the Sundarbans and its biodiversity.

Ambassador Miller also met with students from Daffodil University and representatives from the Bangladesh Forest Department to learn about their partnership and research in the Sundarbans.

He visited Kotka with a doctoral student from the University of Delaware whose tiger conservation research is funded by the U.S. Fish and Wildlife Service.  They also hiked part of the popular Kotka trail and learned about the role and impact of tourism in the Sundarbans.

On the final day of the visit, Ambassador Miller met with representatives of local civil society organization, WildTeam Limited, to learn how conservation activities have continued beyond USAID’s $10.5 million Bengal Tiger Conservation Activity (Bagh), completed in 2018.  On May 22, 2019, as result of USAID’s Bagh activity and its coordinated effort to conserve the Sundarbans, the Bangladesh Forest Department and USAID announced that the Bengal tiger population had stabilized and marginally increased, from an estimated 106 tigers in 2015 to an estimated 114 tigers in 2018.

Ambassador Miller also met with community volunteers, including those with the village tiger response team, local tiger ambassadors, tiger scouts, co-management organizations, and community patrol group members.  Through USAID’s Bagh and Climate Resilient Ecosystems and Livelihoods (CREL) activities, in partnership with the Government of Bangladesh, USAID helped train these community groups to conserve the Sundarbans and its diverse biodiversity.  CREL activities, included supporting the planting of 565,000 mangrove seedlings on 512 hectares.  Species planted included:  Kakra (Bruguiera gymnorrhiza), Bine (Avicenia officinalis), Sundori (Heritiera fomes), Keora (Sonneratia apetala), and Golpata (Nipa fruticans).

Support for conservation initiatives has played a fundamental role in preserving green space and the valuable ecosystems and biodiversity in the United States important to increasing U.S. resilience.  Such efforts provide similar benefits to Bangladesh, strengthening its capacity to respond to natural disasters and protect ecosystems critical not only to Bangladesh but also the health of the planet.  The U.S. government is committed to continuing to support Bangladesh’s resilience to natural hazards and advancing U.S.-Bangladesh priorities.

World Wetlands Day

World Wetlands Day highlights the important environmental protection role wetlands play throughout the world and emphasizes why wetlands are vital to promote conservation of these important ecosystems.  The Sundarbans is the world’s largest mangrove forest and an appropriate venue to showcase the importance of wetlands.  This important region provides a natural barrier to hazards such as storms and cyclones and is home to the Bengal tiger, masked finfoot, irrawaddy dolphin, saltwater crocodile, and many other endangered or vulnerable species.

=============================

 

বাস্তুসংস্থান সংরক্ষণ একটি সহিষ্ণু বাংলাদেশকে উৎসাহিত করতে রাষ্ট্রদূত মিলারের সুন্দরবন সফর

 

ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি, ২০২০ – যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অংশীদারত্বকে এগিয়ে নেওয়ার অংশ হিসেবে রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার ২৬-২৮ জানুয়ারি সুন্দরবন ভ্রমণ করেন। বাংলাদেশে  ইউএসএআইডি মিশনের পরিচালক ডেরিক ব্রাউন এসময় তার সঙ্গে ছিলেন। ২ ফেব্রয়ারি বিশ্ব জলাভূমি দিবসের প্রাক্কালে বিশ্বের বৃহত্তম এ ম্যানগ্রোভ অরণ্যে রাষ্ট্রদূত মিলারের সফর সুন্দরবন এবং এর বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে। একটি সহিষ্ণু বাংলাদেশের জন্য স্বাস্থ্যকর বাস্তুসংস্থান এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে সুরক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সুন্দরবন সফরে রাষ্ট্রদূত মিলার হারবেড়িয়ায় বাংলাদেশ বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। এছাড়া তিনি সুন্দরবন ও এর জীববৈচিত্র্যের সুরক্ষায় অবদান রাখা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সহায়তাপুষ্ট কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

সুন্দরবনে গবেষণা এবং যৌথ অংশীদারত্ব কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে রাষ্ট্রদূত মিলার ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বন বিভাগের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সাক্ষাত করেন।

আর্ল মিলার যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়্যার বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ডক্টরেট শিক্ষার্থীর সঙ্গে কটকা পরিদর্শন করেন। ওই শিক্ষার্থীর বাঘ সংরক্ষণ বিষয়ক গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের ফিশ অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ সার্ভিস অর্থায়ন করেছে। তারা জনপ্রিয় কটকা ট্রেইল ধরে কিছু অংশে হাইকিং করেন এবং সুন্দরবনে পর্যটনের ভূমিকা ও এর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হন।

সফরের শেষ দিনে রাষ্ট্রদূত মিলার স্থানীয় নাগরিক সংস্থা ওয়াইল্ড টিম লিমিটেড এর প্রতিনিধিদের সাথে সাক্ষাত করেন। তিনি তাদের কাছ থেকে জানেন ২০১৮ সালে শেষ হওয়া ইউএসএআইডি-র দেড় কোটি ডলার ব্যয়সাপেক্ষ ‘বেঙ্গল টাইগার কনজারভেশন অ্যাক্টিভিটি (বাঘ)’ কর্মসূচির পর কীভাবে বাঘ সংরক্ষণ কার্যক্রম চলছে। বাংলাদেশ বন বিভাগ এবং ইউএসএআইডি গত বছরের ২২ মে ঘোষণা করে যে, ইউএসএআইডির ‘বাঘ’ কর্মসূচি ও সুন্দরবন রক্ষার সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ এ বনে বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা স্থিতিশীল হয়েছে এবং সামান্য হলেও বেড়েছে। ২০১৫ সালের আনুমানিক ১০৬ টি থেকে ২০১৮ সালে তা আনুমানিক ১১৪ টিতে উঠেছে।

রাষ্ট্রদূত মিলার কমিউনিটি স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গেও সাক্ষাত করেন। তাদের মধ্যে ছিল গ্রামের ‘টাইগার রেসপন্স ’ দলের সদস্য, বাঘ দূত, বাঘ স্কাউটস, সহ-ব্যবস্থাপনা সংগঠন এবং কমিউনিটি টহল গ্রুপের সদস্যরা। ইউএসএআইডি এর বাঘ এবং ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ইকোসিস্টেমস অ্যান্ড লাইভলিহুড (সিআরইএল) কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে স্থানীয় এ সংগঠনগুলোকে সুন্দরবন এবং এর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে প্রশিক্ষণ দিতে সহায়তা করেছে। সিআরইএল কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে বনের ৫১২ হেক্টর জমিতে ৫ লাখ ৬৫ হাজার ম্যানগ্রোভ গাছের চারা রোপণে সহায়তা করা। রোপিত গাছের প্রজাতিগুলির মধ্যে রয়েছে কাঁকড়া, বাইন, সুন্দরি, কেওড়া ও গোলপাতা।

প্রতিবেশ সংরক্ষণ উদ্যোগে সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রে সবুজ বনানী, মূল্যবান বাস্তুসংস্থান এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে মৌলিক ভূমিকা পালন করেছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের  সহনশীলতা বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের প্রচেষ্টা বাংলাদেশের জন্য একই ধরনের উপকার বয়ে আনে। এটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা জোরদার করে এবং এমন বাস্তুসংস্থানকে সুরক্ষা দেয় যা কেবল বাংলাদেশই নয়, বরং সমগ্র পৃথিবীর ভালো থাকার জন্যই জরুরি। যুক্তরাষ্ট্র সরকার প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সহনশীলতা  বৃদ্ধিতে সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং উভয় দেশের অগ্রাধিকারমূলক বিষয়গুলোকে এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিশ্ব জলাভূমি দিবস

বিশ্ব জলাভূমি দিবস বিশ্বজুড়ে জলাভূমিগুলো পরিবেশ সংরক্ষণে যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে তা তুলে ধরে। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ বাস্তুসংস্থানগুলোর সুরক্ষাকে এগিয়ে নিতে জলাভূমিগুলো কেন গুরুত্বপূর্ণ এ দিবস তা জোরের সঙ্গে প্রকাশ করে। সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন। এটি জলাভূমির গুরুত্ব প্রদর্শনের জন্য এক উপযুক্ত স্থান। এই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলটি ঘূর্ণিঝড়ের মতো বিপদ থেকে সুরক্ষা দিতে প্রাকৃতিক বাধা হিসেবে কাজ করে। এছাড়া সুন্দরবন বেঙ্গল টাইগার, মাস্ক্ড ফিনফুট, ইরাবতী ডলফিন, নোনা পানির কুমির এবং আরও অনেক বিপন্ন বা ঝুঁকির মধ্যে থাকা প্রাণীর আবাসস্থল।

=============================